Saturday, 22 November 2014

১. ফাইলের এক্সটেনশন যুক্ত করাঃ
ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার(IDM) এ আমাদের দরকারী অনেক ফাইলের একটেনশন (যেমনঃ MP3, MP4, AVI,, MKV, DOCX, APK, IPA ইত্যাদি) রয়েছ যার সাথে মিল খুঁজে পেলেই আইডিএম অটোমেটিক ডাউনলোড শুরু করে। কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় ঐ ফাইলটি ইন্টারনেট ডাউনলোড ম্যানেজার(IDM) দ্বারা ডাউনলোড না হয়ে ব্রাউজার দ্বারা ডাউনলোড হয় যা অনেক বিরক্তিকর। এই সমস্যা দূর করতে IDM এর উইন্ডোটি ওপেন করুন। সেখান থেকে Downloads মেনু হতে Options এ click ক্লিক করে File Types এ যান। এবার যে ধরনের এক্সটেনশন অটোমেটিক ডাউনলোড করতে চান সেটা File Type এ যুক্ত করে দিয়ে OK করে দিন।

IDM feature
২. যেকোন সাইটকে পুরাপুরি ডাউনলোড করে নিনঃ
কোন ওয়েবসাইটকে অফলাইনে ব্যবহার করার জন্য IDM এর রয়েছে চমৎকার একটি ফিচার Grabbar। IDM এর নেভিগেশন বার থেকে Grabbar এ ক্লিক করেন। সেখানে আপনার কাঙ্ক্ষিত ওয়েবসাইটের লিংকটা দিয়ে next দিয়ে কন্ডিশন অনুযায়ী কাজ করেন। কিছুক্ষণ পর আপনার কাঙ্ক্ষিত সাইট ডাউনলোড হয়ে যাবে যা পরবর্তীতে ইন্টারনেট ছাড়াও ব্যবহার করতে পারবেন।

IDM Grabber


৩. স্পেশাল কী ব্যবহার করে ফোর্স ডাউনলোডঃ
অনেক বিভিন্ন ফাইল শেয়ারিং সাইট থেকে একের অধিক ফাইল ডাউনলোড হয় না। লিংকে ক্লিক করলে "Internet Download Manager Cant download this file" এমন পপআপ দেখায়। এক্ষেত্রে স্পেশাল কী(ctrl বা shift বা alt) চেপে ধরে ডাউনলোড লিংকে ক্লিক করলে সহজেই ডাউনলোড হবে।
যদি কখনো এমন কোন ডাউনলোড লিংক পান যেখানে লিংকে ক্লিক করেও কাজ হয় না তখন এই পদ্ধতি কাজে লাগাবেন। তবে এমন ফাইল শেয়ারিং সাইট খুব কম দেখা যায়। (আমি সমস্যায় পরেছিলাম। তাই লিখলাম...)


IDM force Download

৪. শিডিউল ডাউনলোডের সুবিধাঃ
IDM এ রয়েছে আপনার পছন্দের সময়মত ডাউনলোড শুরু করা এবং শেষ করার সুবিধা। এ জন্য এখান থেকে ধাপে ধাপে অনুসরণ করেন।
i. প্রথমে schedular নেভিগেশন বারে ক্লিক করুন।
ii. এর পর Scedule সাব মেনুতে যান।
iii. এখান থকে আপনার পছন্দ অনুযায়ী ডাউনলোডের অপশন নির্বাচন করুন। তবে এখান থেকে যে কোন একটা অপশন নির্বাচন করা ভাল।
iv. ডাউনলোড হয়ে গেলে কি পিসি স্টিল থাকবে না বন্ধ হয়ে যাবে তা আপনার ইচ্ছামত নির্বাচন করতে পারেন।
v. পরবর্তনগুলো apply করেন।
vi. এই মুহূর্তে চালু করতে চাইলে start now বাটনে ক্লিক করুন।

Schedular download


৫. নিজের মতো করে ডাউলোড করার সুবিধাঃ
আপনি চাইলে অনেকগুলো ফাইল একসাথে ডাউনলোড না করে একটার পর একটা ডাউনলোড করতে পারেন। সে জন্য আপনাকে schedular নেভিগেশন বারে ক্লিক করতে হবে। সেখান থেকে Files in queue ট্যাবে ক্লিক করেন। এবার যে কয়টা ফাইল একসাথে নামাতে সে নাম্বার দেন। IDM এর ডিফল্ট ৪ টি ফাইল একসাথে ডাউনলোড করা যায়। কিন্তু একসাথে ৪ টি ফাইল ডাউনলোড করলে ডাউনলোড হতে অনেক সময় লাগবে। কারণ, সব ফাইল সমানভাবে স্পীড টানলে টোটাল স্পীড কমে যায়। আর তাই বুদ্ধিমানের কাজ হল একটা একটা করে ডাউনলোড করা।
IDM Queue















Sunday, 19 October 2014

এয়ার কল এয়ার কল 'আহ্বান প্রত্যাখ্যান' 'মিউজিক ট্র্যাক' এবং পরিচালনা আপনার ফোন পুড়িয়ে ছাড়া 'galary ছবি' পরিচালনা, 'আপনি যে কোনো ডিভাইসের মধ্যে নৈকট্য সেন্সরের উপর আপনার হাত ধুমধাড়াক্কা ব্যবহার করে কল ধরতে পারবেন এবং নৈকট্য সেন্সর ধরে ধীরে ধীরে আপনার হাতের ধুমধাড়াক্কা ব্যবহার করে কল প্রত্যাখ্যান করতে পারেন. এয়ার কল এছাড়াও মিউজিক ট্র্যাক এবং বিমান গ্যালারি খেলার / বিরতি সঙ্গীত, পরবর্তী / পূর্ববর্তী অডিও ট্র্যাক, নৈকট্য সেন্সর ব্যবহার সঙ্গে আপনার ডিভাইস পরবর্তী / পূর্ববর্তী গ্যালারি ইমেজ মত পরিচালনা করতে পারবেন ।
 

 

 

 
 
 


DOWNLOAD DROPBOX
বি : দ্র : আপনার ফোনে সেন্সর অবশ্যক  

 find me on Facebook

http://goo.gl/a77vM0
১) Google Adwords Tool :
গুগল অ্যাডওয়ার্ডস টুল সম্পর্কে কিছু বলার প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়না। কারন এটি সম্পর্কে সবাই জানেন এবং প্রত্যেক ওয়েব মাস্টারের পছন্দের টুল হল এটি।
গুগল অ্যাডওয়ার্ডস টুল এর লিংক http://www.adwords.google.com/
2) SEM Rush :
গুগল অ্যাডওয়ার্ডস টুল এর পর SEM Sush কেই আমরা সাজেস্ট করবো। এটি আপনার কী-ওয়ার্ড রিলেটেড সার্চ সাজেস্ট করে।
SEM Rush এর লিঙ্ক http://www.semrush.com/
৩) Spyfu :
Spyfu হল ওয়েব মাষ্টারদের পছন্দের অন্যতম একটি টুল। এই টুল দিয়ে দু-ভাবে কী-ওয়ার্ড সার্চ করতে পারবেন ।এটি আপনাকে হাই রেঙ্ক কী-ওয়ার্ড দেখানোর পাশাপাশি ওয়েব সাইট সম্পর্কিত সকল তথ্যও সাজেস্ট করে।
Spyfu এর লিঙ্ক http://www.spyfu.com/try-it-free.aspx
৪) Woorank Website Review টুল :
Woorank Website Review টুলের মাধ্যমে আপনি আপনার কম্পিটিটরদের কী-ওয়ার্ড, ব্যাকলিঙ্ক সহ প্রয়োজনীয় সব তথ্য পাবেন।
Woorank Website Review টুলবারের লিঙ্ক http://www.woorank.com
৫) Keyword Spy :
Keyword Spy কী-ওয়ার্ড সার্চ করার পর রেজাল্টের পাশাপাশি আপনার সিলেক্ট করা কী-ওয়ার্ড এর কম্পিটিটরদের সাজেস্ট করে। Keyword Spy Adwords, Yahoo এবং Bing থেকে ডাটা কালেক্ট করে দেখায়।
Keyword Spy এর লিঙ্ক http://www.keywordspy.com/
৬) Keyword Discovery :
Keyword Discovery তে কী-ওয়ার্ড সার্চ করার পর কী-ওয়ার্ড রিলেটেড ১০০টি কী-ওয়ার্ড সাজেস্ট করবে। এই টুলটি আপনাকে ১০০টি সার্চ ইঞ্জিন থেকে ডাটা কালেক্ট করে দিবে।
Keyword Siscovery এর লিঙ্ক http://www.keyworddiscovery.com/search.html
৭) Google Trends :
Google Trends অন্যতম একটি হ্যান্ডি টুল। এই টুল দ্বারা কী-ওয়ার্ড এর দিন, সপ্তাহ এবং মাসিক হিসাবে বিবরন পাবেন।
Google Trends এর অফিশিয়াল লিঙ্ক http://www.google.com/trends
৮) Word Stream Keyword টুল :
Word Stream Keyword টুল দ্বারা সার্চ করা কী-ওয়ার্ড এর সার্চ ভলিওম, ফ্রিকেয়ন্সি এবং আপনার প্রতিযোগীদের সাজেস্ট করবে।
Word Stream Keyword টুল এর অফিশিয়াল লিঙ্ক http://www.wordstream.com/keywords
৯) SEO Quake :
SEO Quake মজিলা ফায়ারফক্সের একটি টুলবার। এটি দিয়ে আপনি আপনার কী-ওয়ার্ড প্রতিযোগীদের সাইটের বয়স, পেইজ র‍্যাঙ্ক, ব্যাকলিঙ্ক সহ প্রয়োজনীয় সব তথ্য জানতে পারবেন।
SEO Quake ডাউনলোড লিঙ্ক http://www.seoquake.com/
১০) Soovle:
Soovle সুন্দর, ফ্রী এবং খুব দ্রুততর একটি সাইট। এই সাইট সকল সার্চ ইঞ্জিন থেকে ডাটা সংগ্রহ করে দিবে।
Soovle এর লিঙ্ক http://www.soovle.com/
প্রথমে এখান থেকে রার ফাইল টা ডাউনলোড করে ডেক্সটপ এ যে কন ফোল্ডার এ রাখুন । এবার goole play store থেকে Qpython ডাউনলোড মবাইল এ install করুন এবার মেমোরি কার্ড টা কার্ড রিডার অথবা কেব্‌ল দিয়ে mass storage মোড এ pc তে লাগান ভিতরে দেখেন com.hipipal.qpyplus এই নামে ১ টা ফোল্ডার রয়েছে এই ফোল্ডার টা ডিলিট করে দেন এবার যে রার ফাইল টা ডাউনলোড করেছিলেন সেটার ভিতরে দেখেন ১ টা ফোল্ডার আছে com.hipipal.qpyplus এই নামে আর ১ টা ফাইল আছে simpleserve.ini এই নামে ২ টা ফাইল সেন্ড করে মেমোরি কার্ড এ পাঠান অতবা কপি করে মেমোরি কার্ড এর একদম বাইরে রাখবেন ।
এবার profile বানানুর পালা
PROFILE NAME = gpwap
APN = gpwap
APN TYPE = default
Proxy = 10.128.1.2
Port = 8080
না বুজলে নিচের স্ক্রীন শট দেখুন সিরিয়ালি করে যান
 
 
এবার মেমরি কার্ড টা আপনার মবাইল এ লাগান । তারপর qpython রান করান
তারপর পাইথন এর আইকন এ ক্লিক করুন
 এবার নিচের মত মেনু আসবে সেখান থেকে run local project এ ক্লিক করুন

 তারপর আরেকটা মেনু আসবে সেখান থেকে shuvo setting এ ক্লিক করুন
 

 সেশে যদি নিচের মত আসে তাহলে বুজবেন কাজ হয়ে গেছে


এবার আপনার মবাইল যে কোন internet related সফটওয়্যার চালান ফ্রী তে । যেমন skype, fring, viber, whats app, opere, mozilla ,



http://goo.gl/973lKM




উপরের শিরোনাম দেখে এতখনে বুঝে গেছেন আমি কি নিয়ে পোষ্ট করছি। ভাবছেন জিপিতে 4mbps speed এটা আবার কি করে সম্ভাব ভাবতে পারেন আমার প্রচারের জন্য আমি ভূয়া পোষ্ট করছি। কিন্তু না নিচের স্কিসসট দেখলেই বুঝতে পারবেন।

Internet Download Manager a speed দেখেন
 

আমি যেভাবে বলব আপনি যদি তা সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন করতে পারেন তো আপনি উপভোগ করতে পারেন ফুল স্পীডে জিপি ফ্রি নেট ।
১। এখানে আমি একটি Portable Proxy /XT181 কনফিগ দিলাম এটি এখান থেকে ডাউনলোড করেন ।
২। Browser+IDM এ proxy 127.0.0.1 এবং port 8080 সেট করুন ।
৩। APN- gpwap দ্বারা মডেম কানেক্ট করুন ।
৪। ডাউনলোড করা রার ফাইলের ভেতরে দেখেন যে XT181.exe আছে ।সেটা ওপেন করেন আর Lister এ ক্লিক করে মিনিমাইজ করে রাখেন ।

৫্। আর হে যেই কথাটা সবচেয়ে গুরত্বর্পুন তা হলো Internet Download Manager a সব সময় ৫ থেকে ৬ টা Downloading রাখবেন।

৬। সকল সফটওয়্যার চালাতে গেলে অবশ্যই proxy 127.0.0.1 এবং port 8080 সেট করুন।

আর হে আপনাকে অবশ্যই যেকোন ৩জি পেকেজে একটিভ থাকতে হবে আর ৩জি এরিয়াতে তো অবশ্যই।



http://goo.gl/L3Dx0Y































Saturday, 18 October 2014

যারা এসইও জানেন কিন্তু বুঝতে পারছেন না একটি ওয়েবসাইটের এসইও কোথা থেকে এবং কি ভাবে শুরু করবেন তাদের জন্য এই লেখা।
যখন আপনি কোন ওয়েবসাইটের এসইও শুরু করবেন তখনএকটি প্রশ্ন দেখা যায় কোথা থেকে এবং কিভাবে এসইও এর কাজ গুলো শুরু করবেন? যাদের মাঝে এই প্রশ্ন আছে তাদের গাইডলাইন দিতেই আজকের এই লেখা। এখানে আপনাদের দেখাব প্রথম অবস্থায় একটি ওয়েবসাইটের এসইও কোথা থেকে শুরু করবেন এবং কিভাবে ধাপে ধাপে সামনে অগ্রসর হবেন।
চলুন দাখি কিভাবে একটি ওয়েবসাইট এর এসইও শুরু করবেন।
এসইও কে সাধারণত ২ভাগে ভাগ করা হয়:
  1. অনপেজ অপ্টিমাইজেশান
  2. অফপেজ অপ্টিমাইজেশান

অনপেজ

কোন ওয়েবসাইট কে রাঙ্ক এ আনার জন্য অনপেজ অপ্টিমাইজেশান অনেক প্রয়োজনীয়। অনপেজ অপ্টিমাইজেশান ছাড়া কোন ওয়েবসাইট কে গুগল, ইয়াহু, বিং ইত্যাদি সার্চ ইঞ্জিন রাঙ্ক এ আনা সম্ভব না।
কিওয়ার্ড/গুগল প্ল্যানার 
 

শুরুতেই ওয়েবসাইট এর কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে খুব ভাল ভাবে। কিওয়ার্ড এর লোকাল ও গ্লোবাল সার্চ কেমন, কিওয়ার্ড এর ট্রেন্ড কেমন, কিওয়ার্ড এর সার্চ ভ্যালু কেমন ইত্যাদি যাচাই করে কিওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।
  • মেটা ট্যাগ, টাইটেল ও ডিসক্রিপশন ট্যাগ


মেটা ট্যাগ

এবার মেটা ট্যাগ, টাইটেল ও ডিসক্রিপশন ট্যাগ তৈরি করতে হবে। আলাদা আলাদা পেজ এর জন্য আলাদা আলাদা টাইটেল ও ডিসক্রিপশন দিতে হবে। প্রত্যেক পেজ এ একই টাইটেল ও ডিসক্রিপশন থাকলে মেটা ট্যাগ কপি হয়ে যাবে। আর মেটা ট্যাগ কপি হয়ে গুগল আপনার সাইট কে প্লানটি দিবে।
  • গুগল ইয়াহু ও বিং এ সাইট সাবমিট

     
গুগল, ইয়াহু ও বিং 

মেটা ট্যাগ এর কাজ হয়ে গেলে প্রধান কাজ হল ওয়েবসাইট কে গুগল, ইয়াহু, বিং ইত্যাদি সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করতে হবে।
  • গুগল ও বিং ওয়েবমাস্টার টুলস

     গুগল ও বিং ওয়েবমাস্টার টুলস

     

    ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করা হয়ে গেলে সাইট কে গুগল ও বিং ওয়েবমাস্টার টুলস এ সাইট কে ভেরিফাই করতে হবে।
  • গুগল এনালাইটিক

 গুগল এনালাইটিক


একই ভাবে গুগল এনালাটিক এ সাইট কে ভেরিফাই করতে হবে। গুগল এনালাটিক হতে প্রপ্ত কোডটি সাইট এ আপলোড করতে হবে। এতেকরে সাইট এর ট্রাফিক সম্পর্কিত সকল তথ্য জানা যাবে।
  • গুগল এ সার্চ করে দাখুন

 গুগল এ সার্চ করে দাখুন

এখন ওয়েবসাইট কে গুগল, ইয়াহু, বিং এ সার্চ করে দেখতে হবে আছে কিনা এবং কি ভাবে আছে।
  • SERP চেক সহ অন্যান্য কাজ

 SERP চেক সহ অন্যান্য কাজ


অফপেজ

অনপেজ অপ্টিমাইজেশান এর কাজ সফল ভাবে শেষ করার পরে আমি শুরু করি অফপেজ অপ্টিমাইজেশান এর কাজ। অফপেজ অপ্টিমাইজেশান ২ভাগে ভাগ করা যায়। লোকাল এসইও ও গ্লোবাল এসইও। লোকাল এসইও বলতে যখন কোন সাইট কে একটি নির্দিষ্ট এলাকা না দেশের জন্য এসইও করা হয় তাকে বোঝায়। আর গ্লোবাল এসইও হব যখন কোন সাইট কে পৃথিবী ব্যাপী এসইও করা হয় তাকে বোঝায়।

অপ্টিমাইজেশান এ যে কাজ গুলো ধাপে ধাপে করতে হবে।

  • সর্বপ্রথম রিলেটেড কিওয়ার্ড যুক্ত সাইট এ কমেন্ট এর মাধ্যমে লিঙ্ক বিল্ড আপ

ব্লগ কমেন্ট

সর্বপ্রথম রিলেটেড কিওয়ার্ড যুক্ত সাইট এ কমেন্ট এর মাধ্যমে লিঙ্ক বিল্ড আপ করতে হবে। সাইট যদি হেলথ রিলেটেড হয় তাহলে হেলথ রিলেটেড সাইটে কমেন্ট করতে হবে অথবা সাইট যদিটেকনোলজি রিলেটেড হয় তাহলে টেকনোলজি রিলেটেড যে ব্লগ আছে সেগুতে কমেন্ট করতে হবে। এভাবে রিলেটেড কিওয়ার্ড যুক্ত সাইট এ কমেন্ট এর মাধ্যমে লিঙ্ক বিল্ড আপ করতে হবে।
  • ফেসবুক, গুগল প্লাস, লিঙ্কেদিন, টুইটার ইত্যাদিতে লিঙ্ক শেয়ার

ফেসবুক, গুগল প্লাস, লিঙ্কেদিন, টুইটার


এখন আপনার করা কমেন্ট এর লিঙ্ক গুলো ফেসবুক, গুগল প্লাস, লিঙ্কেদিন, টুইটার ইত্যাদিতে শেয়ার করতে হবে। এতেকরে সাইট এর রাঙ্ক বাড়বে। যত বেশি লিঙ্ক শেয়ার করা যাবে তত বেশি সাইট এর রাঙ্ক বাড়বে। এভাবে যেমন রাঙ্ক বাড়বে ঠিক একই ভাবে সাইটের ট্রাফিক ও বাড়বে।
  • হাই কোয়ালিটি ফোরাম এ পোস্ট, ইয়াহু অ্যান্সার এবং লিঙ্ক শেয়ার

 ফোরাম পোস্ট ও ইয়াহু অ্যান্সার

এখন হাই কোয়ালিটি ফোরামে পোস্ট করতে হবে এবং সম্ভব হলে পোস্টে লিঙ্ক দিতে হবে। ইয়াহু অ্যান্সার এ বিভিন্ন প্রশ্নে উত্তরের মাধ্যমে লিঙ্ক বিল্ড আপ করতে হবে। এখন আপনার করা পোস্ট ও ইয়াহু অ্যান্সার এর লিঙ্ক গুলো ফেসবুক, গুগল প্লাস, লিঙ্কেদিন, টুইটার ইত্যাদিতে শেয়ার করতে হবে।
  • সোশ্যাল বুকমার্ক শেয়ার

 সোশ্যাল বুকমার্ক

সোশ্যাল বুকমার্কইং লিঙ্ক বিল্ড খুব প্রয়োজনীয়। বিভিন্ন সোশ্যাল বুকমার্ক সাইট এ সাইট এর লিঙ্ক গুলো শেয়ার করার মাধ্যমে লিঙ্ক বিল্ড আপ করতে হবে। তবে একই সোশ্যাল বুকমার্ক সাইট এ বার বার একই পোস্ট এর লিঙ্ক গুলো শেয়ার করা যাবে না।
  • আর্টিকেল শেয়ার করা


সম্ভব হলে সাইট উপর আর্টিকেল লিখে বিভিন্ন আর্টিকেল সাইট এ শেয়ার করতে হবে। এতে করে ভাল ট্রাফিক আসবে।

এভাবে একটি ওয়েবসাইটের অনপেজ অপ্টিমাইজেশান ও অফপেজ অপ্টিমাইজেশান ধাপে ধাপে করলে খুব সহজে ভাল রাঙ্ক করা সম্ভব।





























 




Wednesday, 15 October 2014

অ্যান্টিভাইরাস এর জগতে kaspersky নামটা নিশ্চয়ই সবার কাছে পরিচিত । আমার কাছে এখনও অ্যান্টিভাইরাস এবং সিকুউরিটি প্রোডাক্টগুলোর  মধ্যে Kaspersky এর প্রোডাক্ট গুলো সবচেয়ে বেশি বেষ্ট মনে হয় । এর কারন প্যারফরমেন্স এবং কাজের দিক থেকে এটি অন্য অনেক অ্যান্টিভাইরাস এর চেয়ে ভাল ফিডব্যাক দেয় । কিন্তু সমস্যা হল এদের প্রোডাক্ট গুলো ফ্রি নয় । সব চেয়ে বড় সমস্যা হল ফুল্ ভার্সন চালানোর জন্য যে সকল কী  ফাইল নেট এ সচরাচর পাওয়া যায় সে গুলো কয়েক দিন পরেই হয়ে যায় Blacklisted. এই সমস্যার সমাধান হল ট্রায়াল রিসেটার ব্যবহার করা । আগে জেনে নেই ট্রায়াল রিসেটার কি ? ট্রায়াল রিসেটার হল এমন একটি মেথড যার মাধ্যমে আপনি  কোন সফটওয়্যার এর ট্রায়াল প্রিয়ড কে রিসেট করে আবার ব্যবহার করতে পারবেন । যার ফলে আপনি একই সফটওয়্যার চালাতে পারবেন দিন এর পর দিন ।  যাই হোক আজকে নিয়ে আসলাম Kaspersky পরিবারের সব প্রোডাক্টগুলো ।আগেই বলে দিছি এগুলো সবই হল ট্রায়াল যার মেয়াদ হল ৩০ দিন । ৩০ দিন পরে আপনি ট্রায়াল রিসেটার ব্যবহার করে এই প্রোডাক্ট গুলোর ট্রায়াল প্রিয়ড রিসেট করতে পারবেন। তো চলুন দেখে নেয়া যাক প্রোডাক্টগুলো ।
 1. Kaspersky Antivirus 2015
 Official Download Link:-  http://www.kaspersky.com/downloads/anti-virus

2. Kaspersky Internet Security 2015
Official Download Link:- http://www.kaspersky.com/free-trials/internet-security

3 Kaspersky Crystal Pure  3.0
 
 Official Download Link:-  http://www.kaspersky.com/pure-free-trial

4 Kaspersky Endpoint Security 10
 


Official Download Link:-  http://support.kaspersky.com/kes10wks#downloads

5 Kaspersky Small Office Security 3

এবার আসি অলপ্রোডাক্ট এর রায়াল রিসেটার এ । ট্রায়াল রিসেটার টি ডাউনলোড করতে নীচের লিঙ্ক এ যান
Trial Reseter Download Link :- http://www.mirrorcreator.com/files/FQJ7JFNO/Kaspersky_Trial_Resetter_2015.rar_links

ট্রায়াল রিসেটার টি যেভাবে ডাউনলোড করবেন , লিঙ্ক এ যাওয়ার পরে মাউস দিয়ে নীচের দিকে স্ক্রল করে আসুন এর পরে নীচের মত দেখানো যে কোন একটি লিঙ্ক এ ক্লিক করুন ।

এর পরে একটি পেজ আসবে । সেখানে নীচের মত দেখানো অনুযায়ী কাজ করুন ।
ট্রায়াল রিসেটারটি ব্যবহার এর জন্য জিপ ফাইল এর সাথে দেয়া টেক্সট ফাইলটির মধ্যে দেয়া দিক নির্দেশনা অনুযায়ই কাজ করুন । অথবা নিচের ট্রিকস অবলম্বন করুন

ট্রায়াল রিসেট করতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন-

ধাপ-১ : Disable Self Defense:
Open kaspersky>Settings>Additional> Self Defense (টিক মার্ক উঠিয়ে দিন)
 

 ধাপ ২ : Close kaspersky from try icon


ধাপ ৩ : Open Registry Editor:
Start+R চেপে regedit টাইপ করে Enter চাপুন



ধাপ ৪ : নিচের রেজিস্ট্রিগুলো ডিলিট করুন:
অপারেটিং সিস্টেম ৬৪ বিট হলে:
[HKEY_LOCAL MACHINE\SOFTWARE\Wow6432Node\Kaspersky Lab\protected\LicStorage] (এ গিয়ে LicStorage ফোল্ডারটি ডিলেট করুন)



৩২ বিট হলে: [HKEY_LOCAL MACHINE\SOFTWARE\Kaspersky Lab\protected\LicStorage]
তারপর (৩২ ও ৬৪ বিট)
[HKEY_LOCAL MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\SystemCertificates\SPC\Certificates] ( Certificates ফোল্ডারটি ডিলেট করুন)



ধাপ ৫ : তারপর নিচের ডিরেক্টরিতে গিয়ে Ins_InitMode এর ভ্যালু 0 এর বদলে 1 করে দিনঃ
৬৪ বিটঃ
[HKEY_LOCAL MACHINE\SOFTWARE\Wow6432Node\Kaspersky Lab\protected\AVP 14.0.0\settings]



 




৩২ বিটঃ [HKEY_LOCAL MACHINE\SOFTWARE\Kaspersky Lab\protected\AVP 14.0.0\settings]
এবার ক্লোজ করে বেরিয়ে যান। অতপর কাসপারস্কি স্টার্ট করুন। আর এনজয় করুন সারা মাস। মাস শেষে পুনরায় একই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।
উল্লেখ্য, নেট কানেকশন না থাকলে লাইসেন্স মিসিং দেখাবে। সার্ভারের সাথে কানেকশন পেলে ঠিক হয়ে যাবে।
ধন্যবাদ সবাইকে।